• ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Babri Masjid

দেশ

শুনানিই নয়, এক ঝটকায় খারিজ আবেদন, বেলডাঙা মসজিদ ঘিরে নতুন উত্তাপ

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণ ঘিরে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হলেও তা শুনতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহেতার বেঞ্চ আবেদনটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। এর পর বাধ্য হয়ে মামলাকারী নিজের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ইতিমধ্যেই নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাবরের নামে ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি বন্ধের দাবি তুলে আদালতে করা আবেদনে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছিল। মামলাকারীর আইনজীবী শুনানির সময় নির্মাণ উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট বিতর্কের কথাও তুলে ধরেন।তবে আদালত এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে নারাজ হওয়ায় আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরই বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেই অনুযায়ী গত ছয় ডিসেম্বর বিপুল জনসমাগমের মধ্যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরে এগারো ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। বিধায়ক জানিয়েছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যেই মসজিদ নির্মাণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।সমস্ত ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে এবং স্থানীয় স্তরেও মতবিরোধ স্পষ্ট হচ্ছে। আদালতের অবস্থানের পর ভবিষ্যতে এই ইস্যু কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

দলের আপত্তি সত্ত্বেও মসজিদ নির্মাণে সাহায্য, নতুন করে চর্চায় তৃণমূল নেতা

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনৈতিক মহলে ফের চর্চায় উঠে এলেন হুমায়ুন কবীর। বিভিন্ন বিরোধী নেতার সঙ্গে বৈঠক এবং প্রকাশ্যে মতামত দেওয়ার পর এবার বাবরি মসজিদ ইস্যু নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। এরই মধ্যে মসজিদ নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ রমজান মাসের প্রথম দিনেই বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য এক লক্ষ এগারো হাজার টাকা অনুদান দেন। ব্যাঙ্ক চেকের মাধ্যমে মসজিদ ট্রাস্টের নামে ওই অর্থ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়ার নামে চেক প্রদান করা হয়। এর আগে এই মসজিদ নির্মাণের সমর্থনে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ। এবার সমর্থনের পাশাপাশি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতায় বিতর্ক আরও বেড়েছে।কয়েক দিন আগে এক সভা থেকে সফিউজ্জামান শেখ দাবি করেছিলেন, জেলার মানুষই মসজিদ নির্মাণের দায়িত্ব নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই অনুদান দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করার জেরে কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করা হয়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন, বাবরি মসজিদ নির্মাণের মতো বিষয় নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিতে পারে এবং ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো দল সমর্থন করে না। তৃণমূলের তরফে বারবার স্পষ্ট করা হয়েছে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত দল ভালো চোখে দেখছে না। ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা নিয়েই আপত্তি রয়েছে শাসকদলের একাংশের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

তিন দিন ধরে টাকা গোনা চলছেই! বিদেশি মুদ্রায় ফেটে পড়ছে হুমায়ুনের অ্যাকাউন্ট… তলব স্টেট ব্যাঙ্কের

হুমায়ুন কবীরের মসজিদ ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে একের পর এক দেশ-বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা ঢুকতে শুরু করায় স্টেট ব্যাঙ্ক মঙ্গলবার তাঁকে তলব করেছে। তিন দিন ধরে তাঁর দানবাক্স ফাঁকা করতে টাকা গণনার মেশিন অবিরাম চলছে। শুধু এদিনেই জমেছে সাড়ে তিন কোটি টাকারও বেশি। সেই সঙ্গে প্রচুর বিদেশি মুদ্রাও এসেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।হুমায়ুনের দাবি, কাতার, সৌদি আরব, বাংলাদেশ সহ কয়েকটি দেশ থেকে মসজিদ নির্মাণের জন্য অনুদান আসছে। এই টাকার পরিমাণ অনুমোদিত নিয়ম ও সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে বলেই ব্যাঙ্ক তাঁকে জানিয়েছে। প্রয়োজনীয় চিঠিও পাঠানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।এদিকে তাঁর অ্যাকাউন্টে বিদেশি টাকা আসা নিয়ে রাজনৈতিক মহল উত্তাল। বিজেপির সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্য হুমায়ুনের বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেছেন ও তদন্তের দাবি তুলেছেন। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ পাল্টা কটাক্ষ করে বলেছেন, যদি বিজেপি নেতাদের কাছে কোনও প্রমাণ থাকে, তবে তা তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া উচিত। শুধুমাত্র কাদা ছোড়া নয়।কুণালের বক্তব্য, হুমায়ুনের মসজিদ নির্মাণ নিয়ে তৃণমূলের কোনও আপত্তি নেই। আপত্তি তাঁর রাজনৈতিক দ্বিচারিতায়। তিনি বলেন, ২০১৯ সালে যখন হুমায়ুন বিজেপির প্রার্থী হয়ে বাবরি ভাঙার রাজনীতিকে সমর্থন করেছিলেন, তখন কেন তাঁর মনে বাবরি মসজিদের কথা এল না? আবার ভোটের মুখে সেই প্রসঙ্গ তুলে কেন সুবিধা নিতে চাইছেনএটাই তৃণমূলের প্রশ্ন।তৃণমূল আরও দাবি করেছে, হুমায়ুনকে মসজিদ তৈরির জন্য নয়, দলের সংগঠন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় সাসপেন্ড করা হয়েছে।অন্যদিকে হুমায়ুনের দাবি, ২২ ডিসেম্বর বহরমপুর টেক্সটাইল মোড়ে তাঁর নতুন দল আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করবে। তাঁর আরও দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে তাঁর দল বড় ফ্যাক্টর হবে। কোনও পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না, সরকার গড়তে তাঁকেই দরকার হবে। মুখ্যমন্ত্রী যেই হন, তাঁকে নিয়েই সরকার গঠন হবেএমনটাই আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য হুমায়ুনের।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

বাবরি মসজিদের শিলান্যাসে অনুদানের ঢল—এই গতিতে ২৪ ঘণ্টায় কত ছাড়াতে পারে?

গত শনিবার বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। মসজিদ, স্কুল এবং হাসপাতাল মিলিয়ে প্রায় ৩০০ কোটির এক বড় প্রকল্পের ঘোষণা করেন তিনি। ঘোষণার পর থেকেই অনুদান আসতে শুরু করেছে। শুরুতে দানবাক্স খোলার ছবি নিজেই প্রকাশ করেন হুমায়ুন, তবে পরে নিরাপত্তার কারণে সেই জায়গা গোপন রাখা হয়েছে। তিন দিন যেতে না যেতেই অনুদানের অঙ্ক প্রায় তিন কোটি টাকায় পৌঁছে গিয়েছে।জানা গিয়েছে, মোট ১১টি দানবাক্স ইতিমধ্যেই খোলা হয়েছে এবং সেগুলির হিসেবও শুরু হয়েছে। আরও একটি দানবাক্স শিলান্যাসের স্থানে রাখা আছে, যেখানে এখনও পড়ছে নগদ অনুদান। দানবাক্সের টাকা গোনার দায়িত্বে রয়েছেন ৩০ জন ধর্মগুরু, যাঁরা মেশিনের সাহায্যে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত গণনা করছেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দানবাক্স থেকে পাওয়া গেছে প্রায় ৫৭ লক্ষ টাকা।এ ছাড়া অনুদানের জন্য চালু রাখা হয়েছে কিউআর কোড। সেই মাধ্যমেই এসেছে প্রায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুদানের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা লোকজনের মতে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনুদান সাড়ে তিন কোটি টাকা ছাড়াতে পারে।অনুদান এত দ্রুত বাড়তে থাকায় হুমায়ুন কবীরের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লিমিটও বাড়াতে হয়েছে। প্রতিদিন ২০ লক্ষ টাকা এন্ট্রি করার সীমা ছিল, কিন্তু দিনে তার চেয়েও বেশি টাকা ঢুকে পড়ায় ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে চিফ ম্যানেজারের অনুমতিতে দৈনিক লিমিট বাড়িয়ে ৪০ লক্ষ টাকা করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

সাসপেন্ড, বাবরি, নতুন দল! ভোটের আগে হুমায়ুন কবীরের সম্পত্তির অজানা তথ্য ফাঁস

দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর থেকেই ফের শিরোনামে উঠে এসেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। প্রথমে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, তারপর নতুন দল গঠনের ইঙ্গিতসব মিলিয়ে আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। এর মধ্যেই জানা গিয়েছে, বাবরি মসজিদের জন্য কোটি কোটি টাকার অনুদান আসছে তাঁর কাছে। পেশায় ব্যবসায়ী হুমায়ুনের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়েও কৌতূহল বাড়ছে।হলফনামার হিসেব অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে হুমায়ুনের আয় ছিল ২ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা। ২০১৬-১৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লক্ষ টাকার উপরে। পরের বছরেও আয়ে সামান্য বৃদ্ধি হয়। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে তাঁর আয় নেমে আসে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকার কাছে। আর ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে, অর্থাৎ ভোটের ঠিক আগের বছরে হুমায়ুনের আয় ছিল প্রায় ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।হুমায়ুনের স্ত্রী মীরা সুলতানার আয়ও কম নয়। ২০১৫-১৬ সালে তাঁর আয় প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষেও তিনি প্রায় একই অঙ্কের আয় করেছেন। ২০১৮-১৯ সালে তাঁর আয় নেমে আসে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার কাছে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তিনি আয় করেন প্রায় ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা।হুমায়ুনের ছেলে গোলাম নবী আজাদ, যিনি বর্তমানে পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ, তিনিও বছরে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মতো আয় করেন। ২০১৯-২০ সালে তাঁর আয় ছিল ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা।২০২১ সালের হলফনামা বলছে, হুমায়ুনের হাতে নগদ ছিল ১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। স্ত্রীর হাতে ছিল ২৫ হাজার টাকা। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অঙ্কে মোট কয়েকটি জমা ছিল, যার মধ্যে একটি অ্যাকাউন্টে ছিল ২৮ হাজার টাকা। পেনশন অ্যাকাউন্টে ছিল ১৭২৬ টাকা। অন্যদিকে স্ত্রীর দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট ৩ লক্ষ টাকার মতো ছিল।বিনিয়োগের অঙ্ক কিন্তু আরও বড়। হুমায়ুনের নামে ছিল প্রায় ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকার জীবনবিমা, এছাড়া ১ লক্ষ ৯৯ হাজার, ৩ লক্ষ এবং ২ লক্ষ টাকার আরও তিনটি বিমা ছিল। ৫০ হাজার টাকার তিনটি এলআইসিও ছিল তাঁর নামে। এছাড়া তিনি নিয়েছিলেন প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার লোন।হুমায়ুনের নামে রয়েছে ৪ লক্ষ টাকার একটি টাটা সাফারি গাড়ি। তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ৮ লক্ষ টাকার একটি জেসিবি মেশিন। হুমায়ুনের নামে স্থাবর সম্পত্তি হিসাবে রয়েছে প্রায় ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার সম্পত্তি। মীরার নামে রয়েছে প্রায় ১৯ লক্ষ টাকার সোনা।সব মিলিয়ে, ২০২১ সালের হিসাবে, হুমায়ুনের মোট সম্পত্তির মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২৭ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার সামান্য বেশি।অস্থাবর সম্পত্তির দিক থেকেও হুমায়ুন যথেষ্ট স্বচ্ছল। তাঁর নামে মোট ১.৭ একর জমি রয়েছে। রেজিনগরে দুটি এবং বহরমপুরে একটি জমি রয়েছে, যার দাম মিলিয়ে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকার মতো। পাশাপাশি কলকাতার রাজারহাট এবং কলিন স্ট্রিটে তাঁর নামে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা বলে হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
কলকাতা

বাবরি শিলান্যাসের পরই ব্রিগেডে গীতাপাঠ! বাংলায় হঠাৎ উত্তাপ, কাদের দিকে আঙুল তুললেন সুকান্ত?

৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় জাঁকজমক করে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ভোটের আগে এই ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। হুমায়ুন নতুন দল গঠনের কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন। আর তার এক দিনের মধ্যেই ব্রিগেডে আয়োজন হয়েছে পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠান। ভোর থেকেই সেখানে ঢল নেমেছে ভক্ত ও শিষ্যদের।রাজপথ থেকে ব্রিগেড দুই জায়গাতেই একইসঙ্গে চড়ছে রাজনীতির পারদ। গীতাপাঠের মঞ্চে কার্তিক মহারাজ, সাধ্বী ঋতম্ভরা, বাবা রামদেব, ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর মতো ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে উপস্থিত থাকছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যরাও।এই পরিস্থিতিতেই হুমায়ুনের বাবরি শিলান্যাস নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, হিন্দু ভোট ভাগ করা এবং মুসলিম ভোট একত্রিত করার চেষ্টা চলছে। এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুকান্তের কথায়, হিন্দুরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করে না। একুশের ভোটেই সেটা স্পষ্ট।অন্যদিকে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে রাজনীতির রং লেগেছে কি না, সে বিষয়ে সুকান্ত বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে গীতাপাঠের কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। গীতা হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান। রাজনীতি নিজের জায়গায় থাকবে, গীতা শাশ্বত।বাবরি শিলান্যাস থেকে ব্রিগেডের গীতাপাঠ দুই দিক থেকেই রাজ্যে উত্তাপ বাড়তে থাকায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ শিলান্যাস! এক দাতার ৮০ কোটি টাকার প্রতিশ্রুতি—কে তিনি? প্রশ্নে গরম রাজনীতি

পূর্বঘোষণা মতোই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করলেন সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। দীর্ঘ টানাপড়েন, রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্ক এবং আদালতে নিষেধাজ্ঞার পর অবশেষে হাইকোর্টের সবুজ সঙ্কেত মিলতেই শুক্রবার বৃহৎ আয়োজনের মধ্যেই সম্পন্ন হয় শিলান্যাস।হুমায়ুন জানান, মসজিদ নির্মাণে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। তবে এক পয়সাও সরকারি তহবিল থেকে নেবেন না বলে সরাসরি জানিয়ে দেন তিনি। তাঁর দাবি, পুরো টাকাই আসবে সংখ্যালঘু সমাজের অনুদানে। সভা মঞ্চ থেকেই তিনি জানান, এক ব্যবসায়ী ৮০ কোটি টাকা অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং তা এক মাসের মধ্যেই দেওয়া হবে। তবে ওই দাতার পরিচয় তিনি প্রকাশ করেননি। শুধু বলেন, তিনি নিজের নাম প্রকাশ করতে চান না। কোম্পানির মাধ্যমেই টাকা দেবেন। সরকারের টাকায় মসজিদ করলে পবিত্রতা নষ্ট হবে।হুমায়ুনের হাতে রয়েছে ২৫ বিঘা জমি। আপাতত তার মধ্যে ৩ কাঠা জমিতে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ওই জমির মধ্যেই ইসলামিক হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, মুসাফিরখানা ও হেলিপ্যাড তৈরির পরিকল্পনাও ঘোষণা করেন তিনি। জায়গাটি জাতীয় সড়ক থেকে মাত্র ৩০০-৪০০ মিটার দূরে হওয়ায় ভবিষ্যতে প্রচুর মানুষের যাতায়াতেও সুবিধা হবে বলে দাবি তাঁর।এই শিলান্যাস ঘিরে তৃণমূলের অস্বস্তি আরও বেড়েছে। দলের তরফে হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করা হলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের মুখে এই বিতর্ক দলকে আরও বিপাকে ফেলতে পারে। বিরোধী দলনেতা দাবি করেছেন, সংখ্যালঘু ভোটে প্রভাব ফেলতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছেন হুমায়ুন। অন্যদিকে তৃণমূল বলছে, সংখ্যালঘু প্রার্থীর বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন তিনি এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন।বেলডাঙার রাজনৈতিক আবহ এখন উত্তপ্ত। মসজিদ নির্মাণের শিলান্যাসের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক, যা আগামী দিনে রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

মসজিদে আপত্তি নেই, তবু ‘বাবরি’ নাম নিয়ে আগুন—শুভেন্দু থেকে মৌলানা, বিতর্ক তুঙ্গে

মসজিদ নির্মাণে আপত্তি নেই, কিন্তু বাবরি নাম নিয়েই আপত্তিএই অবস্থান আগেই জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই প্রশ্ন তুলেছিলেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রধান কার্তিক মহারাজও। এবার সেই সুর মিলিয়েই কথা বলতে শুরু করেছেন বেশ কয়েকজন মৌলানা। তাঁদের মতে, মসজিদ তৈরি হতেই পারে, কিন্তু নাম নিয়ে সংঘাত তৈরি হওয়া ঠিক নয়।একজন মৌলানা উদাহরণ টেনে বলেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় অমুসলিমদের আপত্তিতে হজরত মহম্মদ নিজের নামের সঙ্গে থাকা রসুলুল্লাহ শব্দটি সরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, একটি শব্দ বাদ গেলে যদি শান্তি বজায় থাকে, তাতে অসুবিধা নেই। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই অনেক মৌলানার মত, বাবরি নাম নিয়ে আপত্তি উঠলে নাম পরিবর্তন করলেই ভালো হত। মসজিদকে তাঁরা সমর্থন করছেন, কিন্তু নাম নিয়ে তাঁদের আপত্তি থেকেই যাচ্ছে।মৌলানাদের একাংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, মসজিদ হোক বা মন্দিরসরকারের টাকায় এগুলো কেন তৈরি হবে? তাঁদের বক্তব্য, সরকার চাইলে হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ তৈরি করুক; সেটাই মানুষের উপকারে লাগবে।এই বিতর্কের মধ্যেই হুমায়ুন কবীর তাঁর পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাবরি মসজিদের পাশাপাশি হাসপাতাল ও বিদ্যালয়ও তৈরি হবে। পুরো প্রকল্পের বাজেট আপাতত ৩০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। এই টাকার একটিও সরকারের কাছ থেকে নেওয়া হবে না বলেই দাবি তাঁর। আগামী এক মাসের মধ্যে একজন ব্যক্তি ৮০ কোটি টাকা অনুদান দেবেন বলেও জানান হুমায়ুন, যদিও সেই দাতার নাম তিনি গোপনই রেখেছেন।এদিকে স্থানীয় কিছু মৌলানা ওয়াকফ আইন নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, ওয়াকফ আইন কেন্দ্রের, তাই রাজ্যকে তা মানতেই হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে বলেছিলেন আইন কার্যকর করবেন না, তখন তাঁরা সমর্থন করেছিলেন। পরে রাজ্যের অবস্থান পাল্টানোয় তাঁরা কিছুটা হতাশ। তাঁদের কথায়, বিজেপির ভয় দেখিয়ে মুসলিম সমাজকে বারবার সমর্থন পাওয়ার আশা ভুল। তাঁরা নিজেরাই নিজেদের মসজিদ, কবরস্থান রক্ষা করতে সক্ষম।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

মদিনা থেকে কাজি, লাখের বিরিয়ানি—হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ ঘিরে বিশাল উৎসব বেলডাঙায়

হাজার বিতর্ক, দল থেকে সাসপেন্ড হওয়াকিছুই আটকাতে পারেনি ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। নিজের ঘোষণামতোই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন তিনি। প্রবল ভিড়ের মধ্যে রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে ফিতে কেটে শিলান্যাস করেন হুমায়ুন। অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল এলাহি আয়োজন এবং নজিরবিহীন নিরাপত্তা। মদিনা থেকে এসেছেন দুইজন মৌলবী। সকালেই তাঁরা কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বিশেষ কনভয়ে বেলডাঙায় পৌঁছন।হুমায়ুন আগেই জানিয়েছিলেন, অনুষ্ঠানে প্রায় তিন লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। বিভিন্ন এলাকাসন্দেশখালি, ক্যানিং ও দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ মাথায় ইট নিয়ে আসেন ভিত্তিপ্রস্তরের জন্য। শিলান্যাস উপলক্ষে বিশাল খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় এক লক্ষ মানুষের জন্য শাহী বিরিয়ানির আয়োজন করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদের সাতটি ক্যাটারিং এই দায়িত্ব পেয়েছে।হুমায়ুন ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির দাবি, ৪০ হাজার অতিথির জন্য আলাদা বিরিয়ানির প্যাকেট তৈরি হয়েছে, স্থানীয় মানুষের জন্য আরও ২০ হাজার প্যাকেট রাখা হয়েছে। শুধু খাবারেই প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা খরচ হবে। সভামঞ্চ তৈরি ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ব্যয় ৬০৭০ লক্ষ টাকা ছাড়িয়েছে। ৪০০ অতিথির বসার জন্য ১৫০ ফিট লম্বা মঞ্চ তৈরি হয়েছে, যার খরচই প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।অনুষ্ঠানে প্রায় তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। পাশাপাশি ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বিশাল পুলিশি নিরাপত্তা গড়ে তোলা হয়েছে। বেলডাঙা ও রানিনগর থানার মিলিয়ে তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আরও ১৯ কোম্পানি অতিরিক্ত বাহিনী রাখা হয়েছে। বিকেল চারটার মধ্যে পুরো এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
কলকাতা

বাবরি মসজিদ নিয়ে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া! হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল, প্রকাশ্যে ‘আসল খেলা’ বললেন কুণাল ঘোষ

গত কয়েক মাস ধরে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের একাধিক মন্তব্যে অস্বস্তি বাড়ছিল দলের মধ্যে। তাঁকে বহুবার সতর্ক করা হলেও তিনি নিজের অবস্থান বদলাননি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য দলনেতৃত্বকে আরও চাপে ফেলে। অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেস ঘোষণা করল, হুমায়ুন কবীরকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। সাসপেন্ড হওয়ার পর তিনিও কঠোর প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।এই সিদ্ধান্তের পরে প্রশ্ন ওঠেশুধু মসজিদ তৈরির কথার জন্যই কি এমন কঠোর ব্যবস্থা? এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি স্পষ্ট জানান, বিষয়টি শুধুমাত্র মসজিদ তৈরির সঙ্গে যুক্ত নয়। তাঁর দাবি, বাংলায় যে কেউ নিজের জায়গায় মন্দির, মসজিদ বা যে কোনও ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি করতে পারেন। তার জন্য কাউকে কখনও শাস্তি দেয়নি তৃণমূল, ভবিষ্যতেও দেবে না।কুণালের কথায়, সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন ধর্মকে ব্যবহার করে কোনও রাজনৈতিক দল ভোটের আগে বিভাজনের চেষ্টা করে। যদি কেউ সেই ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বহিরঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায়, মেরুকরণ তৈরি করতে চায়, দলকে অস্বস্তিতে ফেলে এবং দলবিরোধী কাজ করেসেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়াই স্বাভাবিক। তিনি বলেন, শুধু মসজিদ তৈরির জন্য কাউকে বহিষ্কার করা হয়নি। এটা পুরোপুরি সংগঠন বিরোধী কাজের কারণে।কুণাল উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেমন কেউ গীতা পাঠের অনুষ্ঠান করলে গীতার বিরোধিতা তৃণমূল করে না, কিন্তু যদি সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়, তখন সেটাই সমস্যা। মসজিদ তৈরি করাও অপরাধ নয়, কিন্তু যদি তার পিছনে অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্ত থাকে এবং তা রাজনৈতিক ইভেন্টে পরিণত হয়, তবে তা তদন্তের বিষয়।এর আগে তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমও বলেছিলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে যে রাজনীতি করবে, তার সঙ্গে তৃণমূল কোনও সম্পর্ক রাখবে না। হুমায়ুন কেন বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির কথা বললেন, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বিজেপির ভূমিকার অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, ভোটের আগে বিভাজন তৈরির জন্য বিজেপি এ ধরনের গদ্দার কার্ড ব্যবহার করে। এবারও সেই চেষ্টাই চলছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

শাসক দলই বাধা দিচ্ছে”—মমতা সফরের আগে তৃণমূলকে তুলোধোনা হুমায়ুন কবীর

গত কয়েক মাস ধরেই বারবার শিরোনামে উঠে আসছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। কখনও নতুন দল গঠনের ইঙ্গিত, আবার কখনও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সঙ্গে বৈঠক করে মুচকি হেসে বেরিয়ে আসারাজনীতি জুড়ে তাঁকে নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। তবে সম্প্রতি হুমায়ুনের মুখে একটাই স্লোগানবাবরি মসজিদ হবেই। আর সেই ঘোষণা ঘিরেই এবার সরাসরি নিজের দলের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি।হুমায়ুনের দাবি, বাবরি মসজিদ তৈরির উদ্যোগ শুরু হতেই প্রশাসনিক বাধা দেওয়া হচ্ছে। আর সেই বাধা আসছে শাসক দলের মদতেই। প্রকাশ্যেই তিনি বলেন, বাধা দিচ্ছে প্রশাসন। শাসক দলের মদতে এই বাধা আসছে। বেলডাঙা থানার আইসি-র ভূমিকা নিয়েও সরব হয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর আসন্ন মুর্শিদাবাদ সফরের ঠিক আগেই হুমায়ুনের এই প্রকাশ্য ক্ষোভ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।মুখ্যমন্ত্রীর মুর্শিদাবাদ সফরের কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেবেন কি না, সেই প্রশ্নেও এদিন স্পষ্ট উত্তর এড়িয়ে যান হুমায়ুন। শুধু বলেন, আমাকে দলের তরফে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। যাব কি না, এখনই বলার সময় আসেনি। এখন এই প্রশ্নের উত্তর দেব না। তাঁর এই অস্পষ্ট অবস্থান ঘিরে তৃণমূলের অন্দরেও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।বাবরি মসজিদ প্রসঙ্গে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে হুমায়ুন বলেন, জগন্নাথ মন্দির হলে যদি বিতর্ক না হয়, তা হলে বাবরি মসজিদে বিতর্ক হবে কেন? তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে পুরনো শিল্প প্রকল্পের প্রসঙ্গও। তিনি জানান, রেজিনগরে একসময় শিল্পতালুকের উদ্বোধন করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেই জমি আজও পড়ে আছে। গত ১৪ বছরে সেখানে কোনও কাজই হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর।সবচেয়ে বড় চমক অবশ্য ৬ ডিসেম্বরের ঘোষণাকে ঘিরে। হুমায়ুন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের শিলান্যাস হবেই। রেজিনগর থেকে বহরমপুর এনএইচ-৩৪ ব্লক করে দেব। দেখি কোন শক্তি আছে, যে আটকে দেখাক। তাঁর এই হুঁশিয়ারির পরই প্রশাসনিক মহলেও তৎপরতা বেড়েছে বলে খবর।যে ছ বিঘা জমিতে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা বলছেন হুমায়ুন, সেই জমি আদতে নিজামুদ্দিন চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বলেও জানা গিয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর থেকে কেউ জমি কেনেননি। অথচ এরপরই রাতারাতি সেই জমি ঘিরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। জমির মালিকানা, প্রশাসনিক অনুমতি এবং রাজনৈতিক সংঘাতসব মিলিয়ে এবার বাবরি মসজিদ ইস্যুতে মুর্শিদাবাদে বড়সড় অশান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

বাবরি মসজিদের ‘বদলা’ নিতে ছ’টি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা! প্রকাশ্যে ভয়ঙ্কর জইশ চক্রান্ত

দিল্লির লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের রেশ এখনো কাটেনি। ১০ নভেম্বরের সেই বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল গোটা দেশ। প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১২ জন, আহত আরও ২০ জন। কিন্তু তদন্তের অগ্রগতিতে এখন প্রকাশ পাচ্ছে আরও ভয়ঙ্কর সত্য। এই বিস্ফোরণ ছিল না কোনও একক ঘটনাবরং ছিল এক বিশাল, ধারাবাহিক সন্ত্রাসের সূচনা মাত্র!কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার হাতে এসেছে এমন তথ্য, যা রীতিমতো গা শিউরে দেওয়ার মতো। জানা গিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণ ছিল একটি বড়সড় সিরিয়াল ব্লাস্ট প্ল্যানের প্রথম ধাপ। জইশ-ই-মহম্মদের হোয়াইট কলার মডিউল-এর তরফে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতে এই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকী।তদন্তে উঠে এসেছে, ওই দিন দিল্লির অন্তত ছয় জায়গায় একসঙ্গে বিস্ফোরণের ছক কষেছিল জইশ মডিউল। এনআইএ-র জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রতিশোধ নিতে ওই দিনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল এমন এক হামলার, যা গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দেবে এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে দেবে।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই হামলায় মোট ৩২টি গাড়ি ব্যবহার করার ছক ছিল। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে ৪টি গাড়িএকটি হুন্ডাই আই-২০, একটি ব্রেজা, একটি সুইফট ডিজায়ার এবং একটি ফোর্ড ইকোস্পোর্ট। গাড়িগুলি কেনা হয়েছিল হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে, তাও পুরনো বা থার্ড হ্যান্ড গাড়ি হিসেবে, যাতে পুলিশ বা গোয়েন্দারা ট্রেস করতে না পারে।জইশের এই ডাক্তার-জঙ্গি মডিউল গোটা হামলাটিকে সাজিয়েছিল পাঁচ ধাপে। প্রথম ধাপে তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদী মডিউল, যাতে ছিল জইশ ও আনসার ঘাজয়াত-উল-হিন্দের যোগ। দ্বিতীয় ধাপে নুহ ও গুরুগ্রাম থেকে বিস্ফোরক এনে মজুত করা হয়। তৃতীয় ধাপে কেমিক্যাল আইইডি বানানো হয় এবং সম্ভাব্য টার্গেট বেছে নিয়ে রেইকি চালানো হয়।এরপর চতুর্থ ধাপে সেই বিস্ফোরক ভাগ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন মডিউল সদস্যদের মধ্যে। সবশেষ ধাপে, অর্থাৎ পঞ্চম ধাপে, দিল্লির অন্তত ছয় থেকে সাতটি জায়গায় একসঙ্গে সিরিয়াল ব্লাস্ট ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, প্রথমে এই বিস্ফোরণগুলো করার ছক কষা হয়েছিল চলতি বছরের আগস্টে। কিন্তু পরে মাসুদ আজহারের নির্দেশে দিন বদলে করা হয় ৬ ডিসেম্বর। গোয়েন্দারা মনে করছেন, জইশ প্রধান মাসুদ আজহার চায় বাবরি মসজিদ ইস্যুকে নতুন করে উসকে দিয়ে ভারতে সাম্প্রদায়িক অশান্তি ছড়াতে। বহু বছর ধরেই তারা বদলা-র হুমকি দিয়ে আসছে।এক গোয়েন্দা আধিকারিক জানিয়েছেন, এটি ছিল ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা। দিল্লির মতো শহরে একসঙ্গে ছটি বিস্ফোরণ ঘটলে তার পরিণতি অকল্পনীয় হত।এখন প্রশ্ন একটাইআরও কি গাড়ি প্রস্তুত রয়েছে এই মডিউলের হাতে? তদন্ত চলছে জোরকদমে। গোটা দেশের নিরাপত্তা সংস্থা এখন সর্বোচ্চ সতর্কতায়।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ম্যারাথন জেরার পর ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্‌হা বিশ্বাস, ‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা: দীর্ঘ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার টানা জেরার শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই পদক্ষেপ করে। বহুবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও এতদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। এরপরই শুরু হয় দফায় দফায় জেরা।ইডি সূত্রের দাবি, জেরার শুরুতে কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান শান্তনু। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল তথ্য সামনে রাখা হলেও তিনি তা সম্পর্কে অজ্ঞতার দাবি করেন এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু তোলাবাজি ও প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল ভর্তি দুর্নীতি এবং বালি পাচার এই দুই মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের নাম। ইডির অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথিতে শান্তনু সিন্হার নাম মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই ডিসির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।ব্যাঙ্কশাল আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডির দাবি, কলকাতা শহরে একটি প্রভাবশালী জমি দখল ও তোলাবাজির সিন্ডিকেট চালানো হত, যেখানে জয় এস কামদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল শান্তনু সিন্হার। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো এফআইআর দায়ের করে থানায় ডেকে চাপ সৃষ্টি করা হত, এরপর জমি দখলের পথ প্রশস্ত করা হতো। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনি আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ।তদন্তকারীদের হাতে আসা জয় এস কামদারের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে একাধিক এফআইআর নম্বরের উল্লেখ মিলেছে। সেই তথ্য থেকেই ভুয়ো মামলার জাল বিস্তৃত ছিল বলে অনুমান ইডির।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দাবি, এই চক্রে কলকাতা পুলিশের অন্তত ১২ জন আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। ফলে তদন্ত আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বারবার নোটিস উপেক্ষা করায় শান্তনুর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করার প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁর খোঁজে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপরই বৃহস্পতিবার হাজিরা দেন তিনি।ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা শুধু প্রভাব খাটিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, এই সিন্ডিকেট থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। এখন নজর আদালতে আর কী কী বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনে ইডি, সেটাই দেখার।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রামপুরহাট হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক, কড়া নির্দেশ ধ্রুব সাহার

বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বৃহস্পতিবার রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজার এবং প্রিন্সিপ্যালকে ধমক দেন।ধ্রুব সাহা বলেছেন, প্রিন্সিপ্যাল ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেন না। ওয়ার্ড ও শৌচালয়ের অবস্থা খারাপ। রোগীদের পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছে।এদিন বিধায়ক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তিনি প্রিন্সিপ্যালকে স্পষ্ট বলেন, ঠাণ্ডা ঘরে বসে না থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর নজর দিন। নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজারকেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির জন্য সতর্ক করেন বিধায়ক ।গত কয়েক মাস ধরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে নোংরা পরিবেশ, রোগী হয়রানি ও চিকিৎসায় গাফিলতির বিভিন্ন অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। তার পরেই আজ বিধায়কের এই সারপ্রাইজ ভিজিট।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

“তাপস-সজলদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল”, বিধায়ক হয়েই ফেসবুকে বোমা ফাটালেন কুণাল

সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি এমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন, যা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। একদিকে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, অন্যদিকে দলের অন্দরের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।ফেসবুক পোস্টে কুণাল লেখেন, বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলাম। ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার মানুষকে। শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁকে দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। পরে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকেই দল সাসপেন্ড করেছিল।তিনি আরও লেখেন, আজ আমি তৃণমূলের বিধায়ক হয়ে শপথ নিচ্ছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাত থেকে। এটাই ভাগ্যের খেলা।সজল ঘোষকে নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর দাবি, উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপস রায় ও সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি লিখেছেন, ওঁদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সফল হইনি। আজ ওঁরা বিধায়ক। আমি এখনও তৃণমূলের সৈনিক হিসেবেই আছি।তবে এখানেই থামেননি কুণাল। তিনি দলের অন্দরের রাজনীতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে লেখেন, যাঁদের জন্য তাপসদা, সজলরা এবং আরও অনেকে দল ছেড়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এখনও একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি রাজনীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। এতে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে আবার শক্তিশালী করতে আত্মসমালোচনা খুব জরুরি।রাজনৈতিক মহলের মতে, কুণালের এই পোস্টে উত্তর কলকাতা তৃণমূলের সাম্প্রতিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বিতর্কেরও ইঙ্গিত রয়েছে।যদিও এই পোস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ওই দলের আত্মসমালোচনা করে আর কোনও লাভ নেই। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মন বোঝেন বলে দাবি করেন, কিন্তু ফল তো সবাই দেখেছে।অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, হ্যাঁ, কুণালদা আমাদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তখন তাঁর হাতে কিছু ছিল না। যদি থেকে যেতাম, তাহলে আজ চোর স্লোগান শুনতে হতো।

মে ১৪, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ! মোদীর নির্দেশে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ মেনে এবার সপ্তাহে দুদিন সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।শুধু ওয়ার্ক ফ্রম হোম নয়, জ্বালানি বাঁচাতে আরও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে দিল্লি সরকার। সরকারি দফতরের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক এবার অনলাইনে করা হবে। পাশাপাশি যানজট কমাতে ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি অফিসের সময়েও বদল আনা হবে।সরকারের লক্ষ্য শুধু সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে সামিল করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছিলেন, সরকারি কাজে যতটা সম্ভব কম গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রী, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মীদেরও অপ্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে কারপুলিং এবং গণপরিবহণ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।দিল্লি সরকার সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলির জ্বালানির বরাদ্দও কমিয়ে দিয়েছে। অফিসারদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোল ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এখন থেকে মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ করা হবে।গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে দিল্লিতে পালন করা হবে মেট্রো দিবস। সাধারণ মানুষকে সপ্তাহে অন্তত একদিন গাড়িবিহীন দিবস পালন করার আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও সহজ করতে ২৯টি সরকারি আবাসন এলাকা থেকে ৫৮টি বিশেষ বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দিল্লি সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ছয় মাস নতুন কোনও সরকারি গাড়ি কেনা হবে না। জ্বালানি সাশ্রয় এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় আর রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না! কড়া নির্দেশ পুরমন্ত্রীর

কলকাতার রাস্তায় দুধারে গাড়ি দাঁড় করানোর ছবি নতুন নয়। বড় রাস্তা থেকে ছোট গলি, সর্বত্রই রাস্তার ধারে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা দেখা যায়। অনেক সময় গাড়ি রাখার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে স্লিপ নিয়ে হাজির হন কিছু মানুষ। অভিযোগ, এই ধরনের বহু পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে চলছে। সেই সঙ্গে ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও বহুদিনের।এবার সেই বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। এবার তাঁর নজর পড়েছে কলকাতার রাস্তার পার্কিং ব্যবস্থার উপর।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তার দুধারে আর অবৈধভাবে গাড়ি রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আজই নোটিস দেওয়া হবে। যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই, সেখানে কোনও গাড়ি রাখা যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।শুধু পার্কিং নয়, ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে পুরসভা। পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, বহু জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, অথচ সেই টাকা সরকারি রাজস্বে জমা পড়ে না। এবার থেকে এই ধরনের স্লিপ ব্যবহার করে আর টাকা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা আরও জানান, যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো পার্কিং ফি নিতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করা হবে। সেই নির্ধারিত হার মেনেই টাকা নেওয়া যাবে।উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও রাস্তার ধারের পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন। গত বছর কলকাতা পুরনিগম সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারে পার্কিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত শহর পরিষ্কার রাখার কাজের সুবিধার জন্যই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

মন্ত্রিসভা এখনও অসম্পূর্ণ, তার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত! বিধানসভার স্পিকার করলেন শুভেন্দু

এখনও পুরো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি। মাত্র পাঁচজন মন্ত্রীকে নিয়েই কাজ শুরু করেছে নতুন বিজেপি সরকার। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিধানসভার নতুন স্পিকারের নাম ঘোষণা করা হল। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসুকে অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করল বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেন্দু জানান, রথীন্দ্র বসুকেই বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।দায়িত্ব গ্রহণের পর রথীন্দ্র বসু বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটা আমি পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। মানুষ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই বিধানসভা চালানোর চেষ্টা করব।২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন রথীন্দ্র বসু। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকেই তিনি নির্বাচিত হন। জন্ম ও পড়াশোনা সবই কোচবিহারে। কোচবিহারের বি টি অ্যান্ড ইভিনিং কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর নিজের একটি সংস্থাও রয়েছে।রাজনীতিতে আসার আগে তিনি আরএসএসের সদস্য ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই এবার বিধানসভার স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন তিনি।তৃণমূল সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৫ বছর বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের মুখকে সামনে আনল বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতার আবেগঘন আর্জি, তারপরই বড় নির্দেশ হাইকোর্টের!

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টে এক বিরল ছবি দেখল বাংলা। হাতে কাগজ ও ছবি নিয়ে এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়ে তিনি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে আবেদন জানান, রাজ্যের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।এদিন কলকাতা হাইকোর্টে দুটি মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। একটি মামলা করেন আইনজীবী রীতঙ্কর দাস। সেখানে হগ মার্কেটে জেসিবি দিয়ে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ তোলা হয়। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হামলা ও অশান্তি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়।শুনানির পর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশকেই নিতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের দোকান বা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দল না দেখে তাঁদের সাহায্য করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।আদালত আরও জানিয়েছে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেখানে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে।এই রায়ের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আদালত তাদের অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদালতে সওয়াল করেছেন। হাইকোর্টও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত। যেভাবে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, দোকান ভাঙা হচ্ছে, মানুষকে এলাকা ছাড়া করা হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।কুণাল আরও বলেন, আদালতে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন। এই মামলার রায় ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতা, কটাক্ষ শুভেন্দুর! “অযথা বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই” মন্তব্যে নতুন জল্পনা

ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। আর নির্বাচনের পর এবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। তাঁকে দেখে আদালত চত্বরে শুরু হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।এদিন কালো কোট পরে আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাকেই আদালতে ঢুকতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে। অযথা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত নই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে উপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। আদালতের এজলাসে তাঁর উপস্থিতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মামলার শুনানি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal